লিথুনিয়া ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা | ভিসা ও সম্পূর্ণ তথ্য
Tips Point IT✅
৭ আগ, ২০২৬
আপনি যদি লিথুনিয়া ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা সর্ম্পকে এমনকি লিথুনিয়া ১ ইউরো
বাংলাদেশের কত টাকা, লিথুনিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, লিথুনিয়া যেতে কত টাকা লাগে
এবং লিথুনিয়া দেশ কেমন ইত্যাদি সর্ম্পকে জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেটির মাধ্যমে
সকল তথ্য পাবেন।
চলুন জেনে নেই, লিথুনিয়া ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা, লিথুনিয়া ভিসা, লিথুনিয়া
টাকার মান ও সম্পূর্ণ বিস্তারিত তথ্য।
পেজ সূচিপত্রঃ লিথুনিয়া ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা | ভিসা ও সম্পূর্ণ তথ্য
আপনার প্রথমেই একটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন আগে লিথুনিয়া দেশের নিজস্ব মুদ্রা
ছিল লিতাস কিন্তু ২০১৫ সাল থেকে তা পরিবর্তন হয়ে যায়। লিথুনিয়ার নিজস্ব কোনো
টাকা বা লিটাস বর্তমানে চালু নেই। ২০১৫ সালে লিথুনিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরো
মুদ্রা ব্যবহার করে। তাই আপনি যখন লিথুনিয়ার টাকার হিসাব করবেন, তখন মূলত ইউরোর
হিসাবই করতে হবে।
লিথুনিয়া ১টাকা মানে ১ ইউরো, বিষয়টা এমন যে লিথুনিয়া ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা
বলতে লিথুনিয়া ১ ইউরো বাংলাদেশের কত টাকাকে বঝানো হয়েছে। আজকের হিসাব অনুযায়ী,
১ ইউরো প্রায় ১৪২ টাকা ২৩ পয়সা সমান। মনে রাখতে হবে, মুদ্রার হার প্রতিদিন এমনকি
প্রতি ঘণ্টায় ওঠানামা করে।
বিভিন্ন পরিমান ইউরোর টাকার হিসাব আনুমানিকঃ
ইউরো (EUR)
বাংলাদেশি টাকা (আনুমানিক)
১ ইউরো
১৪২ টাকা ২৩ পয়সা
৫ ইউরো
৭১১ টাকা ১৫ পয়সা
১০ ইউরো
১৪২২ টাকা ৩০ পয়সা
৫০ ইউরো
৭১১১ টাকা ৫০ পয়সা
১০০ ইউরো
১৪,২২৩ টাকা ১৫ পয়সা
একটা কথা মনে রাখবেন সঠিক ও আপডেট রেট জানতে বাংলাদেশ ব্যাংক বা কোনো নির্ভরযোগ্য
মানি এক্সচেঞ্জ ওয়েবসাইট দেখে নিবেন এটাই একমাত্র ভালো দিক।
অনেকেই আছেন যে জানতে চান, লিথুনিয়া ১০ি০০ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা? আমি আগেও
বলেছি যে লিথুনিয়ার টাকা মানে লিথুনিয়ার ইউরোর, মানে হচ্ছে লিথুনিয়া ১টাকা মানে ১
ইউরো। আর ১ ইউরো যদি বাংলাদেশে ১৪২ টাকা ২৩ পয়সা হয়, তাহলে ১০০০ ইউরো হবে- (১০০০
× ১৪২.২৩ = ১,৪২,২৩০ টাকা)। অর্থাৎ লিথুনিয়ার ১০০০ টাকা ( ইউরো) বাংলাদেশি
মুদ্রায় প্রায় ১ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ টাকা।
লিথুনিয়ার টাকার এই হিসাবটা ১ ইউরো = ১৪২.২৩ টাকা রেট ধরে করা হয়েছে। রেট যেহেতু
প্রতিদিন পরিবর্তন হয় তাই পরবর্তিতে হিসাব করলে বর্তমান রেট ধরে আপনাকে হসাব করতে
হবে।
লিথুনিয়া দেশ কেমন
লিথুনিয়া হচ্ছে উত্তর ইউরোপের একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ দেশ, যা ইউরোপীয়
ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সদস্য। দেশটির রাজধানী ভিলনিয়াস, এবং এখানকার মানুষ শিক্ষিত
ও নিয়ম অনুযায়ী জীবনযাপনে অভ্যস্ত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নিরাপত্তা আর উন্নত
জীবনযাত্রার কারণে এটি প্রবাসীদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
কর্মসংস্থানের দিক থেকে লিথুনিয়ায় নির্মাণ, কৃষি, লজিস্টিক্স ও আইটি খাতে
বিদেশি শ্রমিকদের বেশ চাহিদা রয়েছে। দেশটির অর্থনীতি প্রতি বছর স্থিতিশীলভাবে
উন্নতি করছে, এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হওয়ায় ভবিষ্যতে অন্যান্য ইউরোপীয়
দেশে যাওয়ারও সুযোগ থাকে।
লিথুনিয়া ভিসা আবেদন
লিথুনিয়া বাংলাদেশে নিজস্ব দূতাবাস নেই, তাই স্বল্পমেয়াদী শেনজেন অথবা সি
ক্যাটাগরি ভিসার আবেদন সুইডেন দূতাবাসের মাধ্যমে করতে হবে, যারা VFS Global-কে
আউটসোর্স পার্টনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। আবেদনকারীকে সশরীরে গিয়ে ভিসা
সেন্টারে ডকুমেন্ট জমা দিতে হয় এবং বায়োমেট্রিক দিতে হয়।
লিথুনিয়ায় বাংলাদেশ থেকে ভিসা আবেদন করতে হলে কিছু ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়ঃ
প্রথমে জেনে নিবেন আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী কোন ধরনের ভিসা
প্রয়োজন যেমনঃ ভ্রমণ, ব্যবসা, নাকি অন্য কিছু।
পাসপোর্ট কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে, ছবি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভ্রমণ
বীমা, ও প্রয়োজনীয় সনদপত্র সংগ্রহ করে রাখতে হবে।
নির্ধারিত ভিসা আবেদন ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
যেহেতু বাংলাদেশে লিথুনিয়ার দূতাবাস নেই, তাই সুইডেন দূতাবাসের অধীনে থাকা
VFS Global কেন্দ্রে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়।
নির্ধারিত দিনে সশরীরে গিয়ে ডকুমেন্ট জমা দিতে হয় এবং বায়োমেট্রিক
আঙুলের ছাপ, ছবি দিতে হবে।
ভিসা ফি পরিশোধ করতে হয়।
আবেদন যাচাই শেষে ভিসা অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত জানানো হবে,
সাধারণত এই ভিসায় ১৮০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০ দিন থাকার অনুমতি মেলে।
লিথুনিয়া কাজের ভিসা আবেদন
আপনি যদি লিথুনিয়ায় কাজের ভিসায় আবেদন করতে চান তাহলে আগে কিছু বিষয় জানতে
হবে।লিথুনিয়ায় কাজের ভিসা মূলত ডি-টাইপ ন্যাশনাল ভিসার আওতায় পড়ে। এর জন্য
প্রথমে আপনাকে একজন লিথুনিয়ান নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চাকরির অফার পেতে হবে,
এরপর নিয়োগকর্তা লিথুনিয়ার এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসের কাছে ওয়ার্ক পারমিটের
জন্য আবেদন করতে হবে।
লিথুনিয়ায় কাজের ভিসা পেতে হলে ধাপে ধাপে এগোতে হয়ঃ
প্রথমে আপনাকে লিথুনিয়ার কোনো বৈধ নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চাকরির অফার
লেটার পেতে হবে।
নিয়োগকর্তা লিথুনিয়ার এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসের কাছে আপনার হয়ে ওয়ার্ক
পারমিটের জন্য আবেদন করবেন।
ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদিত হলে নিয়োগকর্তা আপনাকে পারমিট ও ইনভাইটেশন লেটার
পাঠাবেন।
নয়াদিল্লিস্থ লিথুনিয়ান দূতাবাস l কেন্দ্রের মাধ্যমে ন্যাশনাল (ডি-টাইপ)
ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
কমপক্ষে ৩০,০০০ ইউরো কভারেজের স্বাস্থ্য বীমা করাতে হবে।
নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে আপনাকে সাক্ষাৎকার দিতে হবে এবং বায়োমেট্রিক
তথ্য জমা দিতে হবে।
পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে সাধারণত দেড় থেকে তিন মাস সময় লাগে।
ভিসা অনুমোদিত হলে লিথুনিয়ায় গিয়ে বৈধভাবে কাজ শুরু করতে পারবেন।
লিথুনিয়া কাজের ভিসা কত টাকা লাগে
লিথুনিয়া কাজের ভিসায় যাওয়ার জন্য আপনাকে কত টাকা আর কোথায় কোথায় কি কি করতে
হবে তার পুরো প্রসেসটা কয়েকটা ভাগে করতে হয় চলুন বিস্তারিত জেনে নেই,
সরকারি ভিসা ফি প্রায় ১২০ ইউরো বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৭,০০০ টাকা, এটা
সবার জন্য প্রায় একই।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খরচ হয় প্রায় ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ টাকা।
ঢাকা থেকে লিথুনিয়ার টিকিট সাধারণত ৫০,০০০ থেকে ৮০,০০০ টাকার মধ্যে পড়ে।
ডকুমেন্ট ট্রান্সলেশন, নোটারি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ইত্যাদি মিলিয়ে আরও
কিছু টাকা লাগে।
এখানেই আসল পার্থক্যটা হয়। সরকারিভাবে বা নিজে নিজে প্রসেসিং করলে খরচ কম,
কিন্তু এজেন্সি বা দালালের মাধ্যমে করলে খরচ অনেক বেড়ে যায়।
মোট খরচ কেমন হয় চলুন এক নজরে দেখে নেই,
মাধ্যম
আনুমানিক মোট খরচ
সরকারিভাবে/নিজে প্রসেসিং
৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা
এজেন্সির মাধ্যমে
৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা
দালালের মাধ্যমে
১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্তও হতে পারে
এখন কাজের ক্যাটাগরি অনুযায়ী যদি বলি কৃষি ভিসা, হোটেল ক্লিনার ভিসা, শেফ ভিসা
এইসব আলাদা আলাদা কোনো ফিক্সড সরকারি রেট নেই। সব ক্যাটাগরিতেই মূল ভিসা ফি,
মেডিকেল আর বিমান ভাড়া প্রায় একই থাকে।
পার্থক্য হয় মূলত এজেন্সি কত টাকা চার্জ করছে তার উপর কৃষি ও ক্লিনার ভিসায়
এজেন্সি খরচ তুলনামূলক কম ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকা হতে দেখা যায়, আর শেফ বা স্কিলড
কাজের ভিসায় একটু বেশি ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা লাগতে পারে, কারণ স্কিলড
ওয়ার্কারদের জন্য নিয়োগকর্তা ও এজেন্সি বেশি কাগজপত্র ও যাচাই-বাছাই করে।
লিথুনিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি
আপনি যদি জানতে চান লিথুনিয়ায় কোন কাজের চাহিদা কেমন তাহলে চলুন বিস্তারিত জেনে
নেওয়া যাক। লিথুনিয়ায় জনসংখ্যা কম হওয়ায় দেশটিতে বিদেশি শ্রমিকের চাহিদা
অনেক ভালো, বিশেষ করে কিছু নির্দিষ্ট সেক্টরে। সেগুলো বিস্তারিত দেওয়া হলোঃ
লিথুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা কনস্ট্রাকশন সেক্টরে। রাজমিস্ত্রি, পাইপ
ফিটার, রড বাইন্ডার, সাধারণ নির্মাণ শ্রমিক এসব কাজের চাহিদা প্রচুর।
ইলেকট্রিশিয়ান, মেকানিক, ওয়েল্ডার এই ধরনের দক্ষ কর্মীদের চাহিদাও অনেক
বেশি, আর বেতনও তুলনামূলক ভালো পাবেন।
বিভিন্ন কল-কারখানায় প্রোডাকশন লাইনের কাজের জন্যও নিয়মিত লোক নেওয়া
হয়।
সিজনাল ভিত্তিতে কৃষিক্ষেত্রে কাজের সুযোগ থাকে, বিশেষ করে ফসল তোলার
মৌসুমে।
হোটেল অথবা রেস্টুরেন্টে ক্লিনার, কিচেন হেল্পার, ওয়েটার পদেও চাহিদা আছে।
ট্রাক বা গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকলে ড্রাইভিং সেক্টরেও ভালো সুযোগ
পাওয়া যায়।
উচ্চ দক্ষতাসম্পন্নদের জন্য আইটি এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতেও সুযোগ বাড়ছে,
তবে এখানে ইংরেজি বা স্থানীয় ভাষার দক্ষতা ও সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়।
সাধারণত একজন সাধারণ শ্রমিকের বেসিক বেতন মাসে প্রায় ৯২৪ ইউরোর কাছাকাছি হয়ে
থাকে, তবে কাজের ধরন, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার উপর ভিত্তি করে এটা কমবেশি হতে পারে।
যেহেতু কনস্ট্রাকশন, ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি,
তাই এসব সেক্টরে আগে থেকে কিছু দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা থাকলে ভিসা পাওয়া এবং ভালো
বেতনের কাজ পাওয়া দুটোই সহজ হয়।
লিথুনিয়াতে কি কি ভিসায় যাওয়া যায়
লিথুনিয়ায় যাওয়ার জন্য উদ্দেশ্য অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ভিসা রয়েছে, আপনি
চাইলে আপনার যে ভিসাই যেতে চান তা বিস্তারিত জেনে যেতে পারবেন। নিচে প্রতিটা
ভিসা সম্পর্কে সহজ করে বলা হলোঃ
টুরিস্ট অথবা ভিজিট ভিসাঃ ঘোরাঘুরি করার জন্য বা আত্মীয়স্বজনের কাছে
বেড়াতে যাওয়ার জন্য এই ভিসা নেওয়া হয়। এটি শেনজেন ভিসা, ১৮০ দিনের
মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০ দিন থাকা যায়।
স্টুডেন্ট ভিসাঃ কোনো লিথুনিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে পড়াশোনার
উদ্দেশ্যে যেতে চাইলে এই ভিসা লাগে। ভর্তির লেটার, আইইএলটিএস স্কোর ও
আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দরকার হয়।
ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সাধারণ কর্মীঃ সাধারণ শ্রমিক হিসেবে কনস্ট্রাকশন,
ফ্যাক্টরি, হোটেল, ক্লিনার ইত্যাদি কাজের জন্য এই ভিসা ব্যবহার হয়। এটাই
সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।
সিজনাল ওয়ার্ক ভিসাঃ কৃষি, হোটেল বা পর্যটন খাতে অস্থায়ী মৌসুমি কাজের
জন্য এই ভিসা দেওয়া হয়, সাধারণত ৬ থেকে ৯ মাসের জন্য।
EU Blue Card: উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ পেশাজীবীদের (যেমন আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং)
জন্য এই বিশেষ ভিসা, যেখানে ভালো বেতন ও সুযোগ-সুবিধা থাকে।
ইন্ট্রা-কর্পোরেট ট্রান্সফার ভিসাঃ কোনো আন্তর্জাতিক কোম্পানির কর্মী যদি
লিথুনিয়ার শাখায় বদলি হন, তাহলে এই ক্যাটাগরির ভিসা প্রযোজ্য।
বিজনেস ভিসাঃ ব্যবসায়িক কাজে সাময়িক সময়ের জন্য যেতে চাইলে এই ভিসা
ব্যবহার করা যায়।
সাধারণ শ্রমিক হিসেবে যেতে চাইলে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বা সিজনাল ভিসাই সবচেয়ে
জনপ্রিয় ও তুলনামূলক সহজ পথ, আর পড়াশোনার উদ্দেশ্য থাকলে স্টুডেন্ট ভিসা
সবচেয়ে ভালো অপশন।
লিথুনিয়া যেতে কত টাকা লাগে
লিথুনিয়ায় যেতে মোট কত টাকা লাগবে তা নির্ভর করে আপনি কোন ভিসা ক্যাটাগরিতে
যাচ্ছেন এবং কোন মাধ্যমে আবেদন করছেন তার উপর। সরকারিভাবে বা নিজে নিজে ভিসা
প্রসেসিং করলে খরচ তুলনামূলক কম হয়, সাধারণত ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যেই কাজ
হয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে বেশিরভাগ মানুষ যেহেতু এজেন্সির মাধ্যমে যান,
তাই বাস্তবে খরচ কিছুটা বেশি পড়ে।
এজেন্সির মাধ্যমে গেলে স্টুডেন্ট ভিসায় খরচ পড়ে সাধারণত ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা,
আর ওয়ার্ক পারমিট বা কাজের ভিসায় খরচ পড়ে ৭ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এই
টাকার মধ্যে ভিসা ফি, মেডিকেল টেস্ট, বিমান ভাড়া, কাগজপত্র তৈরি ও এজেন্সির
সার্ভিস চার্জ সবকিছুই ধরা থাকে। তবে কিছু ক্ষেত্রে দালালের মাধ্যমে গেলে খরচ
১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা হতে পারে, তাই টাকা দেওয়ার আগে অবশ্যই ভালো করে যাচাই
করবেন বৈধ কিনা।
লিথুনিয়া ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা সর্ম্পকে প্রশ্ন FAQ
প্রশ্নঃ লিথুনিয়া কাজের ভিসায় কত টাকা লাগে?
উত্তরঃ এজেন্সির মাধ্যমে গেলে সাধারণত ৭ থেকে ১০ লক্ষ টাকা লাগে, আর সরকারিভাবে
বা নিজে প্রসেসিং করলে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যেই হয়ে যায়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে কি লিথুনিয়ার দূতাবাস আছে?
উত্তরঃ না, বাংলাদেশে লিথুনিয়ার কোনো দূতাবাস নেই। স্বল্পমেয়াদী ভিসার আবেদন
সুইডেন দূতাবাসের অধীনের মাধ্যমে করতে হয়, আর দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য
নয়াদিল্লিস্থ দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হয়।
প্রশ্নঃ ১ ইউরো সমান কত টাকা?
উত্তরঃ বর্তমানে ১ ইউরো প্রায় ১৪২ টাকা ২৩ পয়সা। এই রেট প্রতিদিন পরিবর্তন
হয়, তাই টাকা পাঠানোর আগে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়া ভালো।
প্রশ্নঃ স্টুডেন্ট ভিসায় ভর্তি ফি কত লাগে?
উত্তরঃ বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ভর্তি ফি ভিন্ন হয়, তবে সাধারণত স্টুডেন্ট ভিসাসহ
মোট খরচ পড়ে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। স্কলারশিপ পেলে খরচ আরও কমে যেতে পারে।
প্রশ্নঃ লিথুনিয়ায় সর্বনিম্ন মজুরি কত?
উত্তরঃ লিথুনিয়ায় শ্রমিকদের বেসিক বেতন সাধারণত মাসে প্রায় ৯২৪ ইউরোর
কাছাকাছি, তবে কাজের ধরন ও দক্ষতার উপর ভিত্তি করে এটা কমবেশি হতে পারে।
প্রশ্নঃ লিথুনিয়ায় কোন কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি?
উত্তরঃ কনস্ট্রাকশন, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল ও ফ্যাক্টরি কাজের চাহিদা
সবচেয়ে বেশি।
প্রশ্নঃ লিথুনিয়ায় যেতে বয়স কত লাগে?
উত্তরঃ কাজের ভিসায় সাধারণত সর্বনিম্ন বয়স ২০ বছর হতে হয়, তবে স্টুডেন্ট ও
টুরিস্ট ভিসায় নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই।
প্রশ্নঃ লিথুনিয়া ভিসা প্রসেসিং করতে কত সময় লাগে?
সাধারণত পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে দেড় থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে।
প্রশ্নঃ লিথুনিয়া কি শেনজেনভুক্ত দেশ?
হ্যাঁ, লিথুনিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ন্যাটো ও শেনজেন এলাকার সদস্য দেশ।
প্রশ্নঃ এজেন্সি বা দালালকে অগ্রিম টাকা দেওয়া কি নিরাপদ?
না, কোনো এজেন্সি বা দালালকে অগ্রিম পুরো টাকা দেওয়া উচিত নয়। টাকা দেওয়ার
আগে প্রতিষ্ঠানটি বৈধ কিনা তা অবশ্যই যাচাই করে নেওয়া দরকার।
লিথুনিয়া ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা সর্ম্পকে শেষকথা
লিথুনিয়া ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা | ভিসা ও সম্পূর্ণ তথ্য সর্ম্পকিত আর্টিকেলে
আমরা পুরো লিথুনিয়ার প্রসেস সর্ম্পকে জেনেছি যেখানে ভিসা থেকে শুরু করে যাওয়ার
খরচ, মাধ্যম, কাগজপত্র, ভিসা আবেদন এমনাকি বেতন সর্ম্পকেও জেনেছি। আশা করছি আমার
এই উক্ত আলোচনার পর আপনাদের বঝতে সুবিধা হবে।
পুরো বিষয়টা পরার পর আপনার যদি আরো কোনো বিষয় সর্ম্পকে জানতে চান তাহলে অবশ্যই
কমেন্টে জানান এবং নোটিফিকেশনটি অন করে রাখেন যাতে আরো অন্য যে বিষয় সর্ম্পকেেআগে
থেকে জানতে পারেন।
টিপস পয়েন্ট আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url