শেয়ার বাজার থেকে আয় করতে চান? সঠিক শেয়ার নির্বাচন ও ট্রেডিং কৌশল
আপনি কি শেয়ার বাজার থেকে ইনকাম করার কথা ভাবছেন, কিন্তু ভয় পাচ্ছেন কোথা থেকে শুরু করবেন? সত্যি বলতে, সঠিক নিয়ম আর একটু ধৈর্য থাকলে শেয়ার মার্কেট মোটেও কঠিন কোনো জায়গা নয়।
আপনি যদি না বুঝে হুটহাট টাকা ঢালেন তবে লস হবে, কিন্তু বুঝে-শুনে এগোল ভালো আয় করা সম্ভব। চলুন জেনে নেই, কীভাবে একাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে সঠিক শেয়ার চিনে নিয়মিত ইনকাম করা যায়।
পেজ সূচিপত্রঃ শেয়ার বাজার থেকে আয় করতে চান? সঠিক শেয়ার নির্বাচন ও ট্রেডিং কৌশল
- শেয়ার বাজার কি এবং এটি কীভাবে কাজ করে?
- শেয়ার বাজার কোথায় এবং কীভাবে পরিচালিত হয়?
- শেয়ার বাজার থেকে আয় করার প্রধান উপায়গুলো কি কি?
- শেয়ার বাজারে কাজ শুরু করতে কী কী প্রয়োজন?
- বিও (BO) একাউন্ট কি এবং কীভাবে ঘরে বসে একাউন্ট খুলবেন?
- শেয়ার বাজারে কীভাবে শেয়ার কেনাবেচা করতে হয়?
- আয় করতে সঠিক শেয়ার নির্বাচন করবেন যেভাবে?
- ট্রেডিং করে দ্রুত আয়ের সেরা কৌশল
- ডিভিডেন্ড থেকে আজীবন প্যাসিভ ইনকাম পাওয়ার উপায়
- শেয়ার বাজারে সফল হতে যেসব ঝুঁকি ও ভুল এড়ানো উচিত
- শেয়ার বাজার থেকে আয় সর্ম্পকে কিছু প্রশ্ন (FAQ)
- শেয়ার বাজার থেকে আয় সর্ম্পকে লেখকের শেষকথা
শেয়ার বাজার কি এবং এটি কীভাবে কাজ করে?
খুব সহজ ভাষায় বুঝেন, শেয়ার বাজার হলো এমন একটা জায়গা যেখানে বিভিন্ন কোম্পানির ছোট ছোট অংশ বা ‘শেয়ার’ কেনাবেচা হয়। মনে করুন, আপনার এক বন্ধু একটি চায়ের দোকান শুরু করতে চায় এবং তার মোট খরচ হবে ১০,০০০ টাকা। তার কাছে ৮,০০০ টাকা আছে, বাকি ২,০০০ টাকার জন্য সে আপনাকে বলল "তুই আমাকে ২,০০০ টাকা দে, দোকানের ২০% মালিকানা তোর।"
দোকানটা যদি পরে খুব ভালো চলে এবং অনেক লাভ করে, তবে আপনার ওই ২০% শেয়ারে লাভ চলে আসবে, আবার আপনি চাইলে আপনার অংশটি অন্য কারো কাছে ৩,০০০ টাকায় বিক্রিও করে দিতে পারেন। ঠিক একইভাবে, বড় বড় কোম্পানিগুলো ব্যবসা বাড়াতে শেয়ার বাজারে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলে এবং আমরা টাকা দিয়ে সেই কোম্পানির ছোটখাটো মালিক হয়ে যাই, কোম্পানি ভালো করলে আমাদের লাভ, আর খারাপ করলে লস।
শেয়ার বাজার কোথায় এবং কীভাবে পরিচালিত হয়?
শেয়ার বাজার কিন্তু কোনো সাধারণ কাঁচা বাজার বা শপিং মল নয়, যেখানে আপনি সরাসরি হেঁটে গিয়ে ব্যাগ হাতে জিনিসপত্র কিনে নিবেন। এটি মূলত একটি ডিজিটাল বা অনলাইন ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশে যেমন দুটি প্রধান শেয়ার বাজার আছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE)।
সহজ একটা উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলছি, মনে করুন আপনি একটি নতুন স্মার্টফোন কিনবেন। আপনি কিন্তু সরাসরি স্যামসং বা অ্যাপল কোম্পানিতে যান না, বরং কোনো অফিশিয়াল শোরুম বা বিশ্বস্ত দোকান থেকে ফোনটি কিনেন। শেয়ার বাজারের ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনি, আপনাকে সরাসরি স্টক এক্সচেঞ্জে যেতে হয় না, মাঝখানে 'ব্রোকার হাউস' নামে অনুমোদিত কিছু প্রতিষ্ঠান থাকে।
আরো পড়ুনঃ দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম করার অ্যাপ
আপনি যখন ব্রোকার হাউসের অ্যাপ বা তাদের মাধ্যমে কোনো কোম্পানির শেয়ার কেনার নির্দেশ দেন, তারা সেটি ডিজিটালভাবে স্টক এক্সচেঞ্জে পাঠিয়ে দেয়। পুরো সিস্টেমটি সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা (যেমন বাংলাদেশে (BSEC) খুব কড়া নজরদারিতে রাখে, যাতে কোনো প্রকার প্রতারণা বা জালিয়াতি না হতে পারে। ফলে আপনার কেনা শেয়ার সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকে।
শেয়ার বাজার থেকে আয় করার প্রধান উপায়গুলো কি কি?
শেয়ার বাজারে টাকা খাটানোর কথা ভাবলেই অনেকে মনে করেন শুধু শেয়ারের দাম বাড়লেই বুঝি লাভ হয়। কিন্তু বিষয়টি একদমই তা নয়, এখানে প্রধানত দুটি ভিন্ন উপায়ে আপনার পকেটে টাকা আসতে পারে। আপনি অল্প সময়ের জন্য লেনদেন করবেন নাকি লম্বা সময়ের জন্য টাকা রেখে দেবেন, তার ওপর নির্ভর করে আয়ের পথ।
মনে করুন, আপনি ৫০ টাকা দিয়ে একটি কোম্পানির শেয়ার কিনলেন এবং কিছুদিন পর সেটি ৭০ টাকায় বিক্রি করে দিলেন, এই যে বাড়তি ২০ টাকা লাভ হলো, এটাকে বলা হয় 'ক্যাপিটাল গেইন'। আর যদি আপনি শেয়ারটি বিক্রি না করে বছরের পর বছর রেখে দেন, তবে কোম্পানি তাদের বছরের লাভ থেকে আপনাকে যে বোনাস বা লাভ দেবে, সেটাকে বলে 'ডিভিডেন্ড'।
নিচে এই দুটি উপায়ের পার্থক্য ও ধরণ সহজে তুলে ধরা হলো:
| আয়ের উপায় | কীভাবে আয় হয়? | ঝুঁকি কেমন? | কার জন্য উপযুক্ত? |
|---|---|---|---|
| ১. ক্যাপিটাল গেইন (ট্রেডিং) | কম দামে শেয়ার কিনে বেশি দামে বিক্রি করে | ঝুঁকি কিছুটা বেশি | নিয়মিত বাজার পর্যবেক্ষণ করতে পারেন |
| ২. ডিভিডেন্ড (ইনভেস্টিং) | কোম্পানির বার্ষিক লাভ থেকে অংশ বা বোনাস পেয়ে | ঝুঁকি বেশ কম | যারা দীর্ঘমেয়াদে জমানো টাকা নিরাপদ রাখতে চান |
আপনি তাড়াতাড়ি লাভ করতে চাইলে শেয়ার কেনাবেচা বা ট্রেডিংয়ের দিকে যেতে পারেন। আর যদি কোনো ঝামেলা ছাড়া ব্যাংকের এফডিআর এর চেয়ে ভালো রিটার্ন চান, তবে ভালো কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদে টাকা খাটিয়ে ডিভিডেন্ড থেকে নিয়মিত প্যাসিভ ইনকাম করতে পারেন।
শেয়ার বাজারে কাজ শুরু করতে কী কী প্রয়োজন?
বিষটা বুঝেন, শেয়ার বাজারে কাজ শুরু করা কিন্তু কঠিন কোনো কাজ না, ঠিক যেমন ব্যাংকে একটা নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা সহজ, এটাও তেমনই। তবে হুট করে বাজারে নেমে পড়ার আগে আপনার কিছু বেসিক জিনিসপত্র এবং কাগজপত্র রেডি রাখতে হবে। সব জিনিস গুছিয়ে নিলে আপনি নিজের ঘরে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে কেনাবেচা শুরু করতে পারবেন।
সহজ একটা উদাহরণ দেওয়া যাক, মনে করুন আপনি বিকাশ বা রকেট অ্যাকাউন্ট খুলতে চান। তখন যেমন আপনার (NID) কার্ড, নিজের নামে একটা সিম আর পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগে, ঠিক একইভাবে শেয়ার বাজারে নামার জন্যও কয়েকটি নির্দিষ্ট জিনিস লাগে। নিচে দেওয়া হলো আপনার ঠিক কী কী লাগবে:
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): আপনার বয়স অবশ্যই ১৮ বছর বা তার বেশি হতে হবে এবং নিজের NID থাকতে হবে।
- নিজের ব্যাংক একাউন্ট: আপনার নিজের নামে যেকোনো ব্যাংকে একটি একটিভ একাউন্ট থাকতে হবে, কারণ আয়ের সব টাকা এই ব্যাংকেই আসবে।
- ছবি ও নমিনি: আপনার ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং আপনি যাকে নমিনি বানাবেন তার NID ও ছবি লাগবে।
- স্মার্টফোন বা কম্পিউটার: শেয়ার কেনাবেচার জন্য একটি ভালো স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ লাগবে।
বিও (BO) একাউন্ট কি এবং কীভাবে ঘরে বসে একাউন্ট খুলবেন?
ভাবছেন বিও একাউন্ট কি? বিও (BO) হলো ‘Beneficiary Owner’ একাউন্ট। ব্যাংক একাউন্টে যেমন আপনি টাকা জমা রাখেন বা তোলেন, ঠিক তেমনি শেয়ার বাজারে কেনা সব শেয়ার জমা রাখার ডিজিটাল ওয়ালেট হলো এই বিও একাউন্ট। এই অ্যাকাউন্ট ছাড়া আপনি শেয়ার বাজারে কোনো শেয়ার কিনতে বা বেচতে পারবেন না।
মনে করুন, বিকাশ বা রকেটে টাকা রাখার জন্য যেমন একটা ডিজিটাল ওয়ালেট থাকে, বিও একাউন্ট হলো আপনার কেনা কোম্পানির শেয়ারগুলো নিরাপদ রাখার ডিজিটাল সিন্দুক। আপনি যখনই কোনো কোম্পানির শেয়ার কিনবেন, তা এই একাউন্টে জমা হবে, আর বিক্রি করলে এখান থেকেই কেটে নেওয়া হবে।
এখন আর বিও একাউন্ট খুলতে কোনো ব্রোকার হাউসে গিয়ে লাইন ধরতে হয় না, মোবাইল দিয়েই খোলা যায়। অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার NID, ব্যাংক ডিটেইলস ও ছবি আপলোড করে অল্প কিছু ফি দিলেই ১ থেকে ২ দিনের মধ্যে আপনার একাউন্ট চালু হয়ে যাবে। একাউন্ট হয়ে গেলে আপনি অ্যাপেই একটি ইউনিক আইডি পাবেন, যা দিয়ে লগইন করে কাজ শুরু করা যাবে।
শেয়ার বাজারে কীভাবে শেয়ার কেনাবেচা করতে হয়?
আপনার বিও একাউন্ট চালু হয়ে গেলে শেয়ার কেনাবেচা করা একদমই সহজ, ঠিক যেমন যেকোনো অনলাইন শপিং অ্যাপ থেকে পছন্দের জিনিস অর্ডার করা। এখন আর আগের মতো ব্রোকার হাউসে গিয়ে চিৎকার করে বা কাগজে লিখে শেয়ার কিনতে হয় না। পুরো কাজটাই আপনি আপনার স্মার্টফোনের অ্যাপ দিয়ে ঘরে বসে নিজেই করতে পারবেন।
সহজ একটা উদাহরণ দেওয়া যাক, মনে করুন আপনি দারাজ বা অন্য কোনো অ্যাপে পণ্য কেনাকাটা করছেন। অ্যাপে গিয়ে যেমন প্রোডাক্টের নাম সার্চ করেন, দাম পছন্দ হলে কার্ডে যোগ করেন আর 'Buy' বাটনে চাপ দেন, শেয়ার বাজারের ট্রেডিং অ্যাপগুলোতেও ঠিক একইভাবে কাজ হয়। সেখানে কোম্পানির নাম সার্চ করে কতটি শেয়ার কিনতে চান এবং কত দামে কিনতে চান তা লিখে ক্লিক করলেই অর্ডার চলে যায়।
আরো পড়ুনঃ নতুনদের জন্য আপওয়ার্ক চাকরি
প্রথমে ব্রোকার হাউসের দেওয়া অ্যাপটি ফোনে ইনস্টল করে আপনার একাউন্টে সাইন-ইন করতে হবে। এরপর আপনার নিজের ব্যাংক একাউন্ট থেকে বিকাশ বা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিও একাউন্টে টাকা পাঠাতে হবে। একাউন্টে টাকা জমা হলেই আপনি বাজারের চাল চলন দেখে পছন্দমতো শেয়ার কেনাবেচা করা শুরু করে দিতে পারবেন।
আয় করতে সঠিক শেয়ার নির্বাচন করবেন যেভাবে?
ট্রেডিং করে দ্রুত আয়ের সেরা কৌশল
- ভালো কোম্পানি কিন্তু সাময়িক দাম কমেছে এমন শেয়ার ধরাঃ বাজারে কিছু শক্তিশালী কোম্পানি থাকে যেগুলোর মূল ব্যবসার অবস্থা বেশ ভালো, কিন্তু সাময়িক কোনো খবরের কারণে দর কিছুটা কমে যায়। যেমন: একটি ভালো কোম্পানির শেয়ারের দাম হঠাৎ ১০০ টাকা থেকে কমে ৮০ টাকায় নেমে এলো। অভিজ্ঞ ট্রেডাররা এই ধরনের সুযোগের অপেক্ষাতেই থাকেন এবং সঠিক সময়ে এন্ট্রি নেন।
- সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেখে কেনাবেচা করাঃ 'সাপোর্ট' হলো শেয়ারের দামের এমন একটি তলা যেখান থেকে দাম সচরাচর আর নিচে নামে না, বরং ওপরে উঠতে থাকে। আর 'রেজিস্ট্যান্স' হলো এমন একটি ছাদ যেখানে গিয়ে দাম আটকে যায় বা নিচে নেমে আসে। মেঝের কাছাকাছি দামে শেয়ার কিনে ছাদের কাছাকাছি দামে বিক্রি করে দেওয়াই হলো বুদ্ধিমানের কাজ।
- স্টপ লস ব্যবহার করে রিস্ক কমানোঃ ট্রেডিংয়ে আপনি প্রতিবার লাভ করবেন এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই, তাই লস ঠেকানোর প্রস্তুতি আগে থেকেই রাখতে হবে। যেমন: আপনি ১০০ টাকায় একটি শেয়ার কিনে ৯৫ টাকায় 'স্টপ লস' সেট করে রাখলেন। এতে দাম হুট করে অনেক নিচে নেমে গেলেও আপনার লস ৫ টাকার বেশি হবে না, আর আপনি বড় ধরনের বিপদ থেকে বেঁচে যাবেন।
- মার্কেট ট্রেন্ড বা বাজারের হাওয়া বুঝে ট্রেড করাঃ কথায় আছে, "Trend is your friend" অর্থাৎ বাজার যেদিকে যাচ্ছে আপনাকেও সেদিকেই হাঁটতে হবে। যখন পুরো শেয়ার বাজার ওপরের দিকে উঠতে থাকে (যাকে বুল মার্কেট বলে), তখন ট্রেড করলে লাভের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। বাজার যখন টানা পতন বা মন্দার মধ্যে থাকে, তখন শর্ট-টার্ম ট্রেডিং না করাই ভালো।
- সুইং ট্রেডিং মেথড প্রয়োগ করাঃ সুইং ট্রেডিং মানে হলো কোনো শেয়ার কিনে ১ দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ বা ১ মাস ধরে রাখা এবং দাম কিছুটা বাড়লেই বিক্রি করে দেওয়া। দিনে দিনে শেয়ার কেনাবেচা (ডে ট্রেডিং) করার চেয়ে এই সুইং ট্রেডিং নতুনদের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ এবং এতে কম মানসিক চাপ নিয়ে তাড়াতাড়ি আয় করা যায়।
- নির্দিষ্ট লাভে শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে যাওয়াঃ ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হলো 'লোভ'। ৮০ টাকায় কেনা শেয়ারের দাম যখন ৯৫ টাকা হয়ে যায়, তখন অনেকে ভাবেন দাম হয়তো আরও বাড়বে এবং বিক্রি না করে বসে থাকেন, কিন্তু বাজার পরদিনই উল্টো ঘুরে নিচে নেমে যায়। তাই ছোট কিন্তু নির্দিষ্ট লাভ হলেই লোভ ধরে না রেখে তা পকেটে পুরে ফেলাই সফল ট্রেডারের লক্ষণ।
- নিজের ইমোশন বা ভয়কে নিয়ন্ত্রণে রাখাঃ শেয়ারের দাম একটু কমলেই ভয়ে তাড়াহুড়ো করে লসে বিক্রি করে দেওয়া কিংবা দাম হুহু করে বাড়তে দেখলে না বুঝে লোভে পড়ে কেনা, এই দুটি ভুলই ট্রেডিংয়ের প্রধান শত্রু। ইমোশন বাদ দিয়ে একদম ঠান্ডা মাথায় নিয়মনীতি ও চার্ট দেখে কেনাবেচা করতে পারলে ট্রেডিং থেকে নিয়মিত একটা ভালো সাইড ইনকাম বের করা সম্ভব।



টিপস পয়েন্ট আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url